উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
আবুধাবিতে আগামীকাল আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট দিয়ে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে প্রথমবারের মতো সাদা পোশাকে মাঠে নামতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ না হলেও ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দুই দলের আগের টেস্ট লড়াইয়ের পরিসংখ্যানও বেশ সমান-সমান।
বাংলাদেশ এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেললেও টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা নেই। ফলে আবুধাবির ম্যাচটি নিরপেক্ষ মাঠে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট হিসেবে ইতিহাসে জায়গা করে নেবে।
নিরপেক্ষ ভেন্যুতে টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা এর আগে ১১টি দলের ছিল। এ তালিকায় সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছে পাকিস্তান। ১৯৯৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত নিরপেক্ষ মাঠে ৩৯টি টেস্ট খেলে তারা জয় পেয়েছে ১৯টিতে।
এই তালিকায় পাকিস্তানের পর রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। নিরপেক্ষ ভেন্যুতে ১৪টি টেস্ট খেলে সাতটিতে জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া ছাড়া অন্য কোনো দল এ ধরনের ভেন্যুতে ১০টির বেশি টেস্ট খেলেনি। সবচেয়ে কম দুটি টেস্ট খেলেছে ভারত।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসও সংক্ষিপ্ত। এখন পর্যন্ত দুই দল দুটি টেস্ট খেলেছে, দুটিই অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশের মাটিতে। ২০১৯ সালে চট্টগ্রামে প্রথম দেখায় বাংলাদেশকে ২২৪ রানে হারিয়েছিল আফগানিস্তান।
তবে ২০২৩ সালে মিরপুরে অনুষ্ঠিত পরের টেস্টে বড় ব্যবধানে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। আফগানিস্তানকে ৫৪৬ রানে হারিয়ে সেই পরাজয়ের জবাব দেয় টাইগাররা। ফলে দুই টেস্ট শেষে উভয় দলের জয় একটি করে।
ব্যক্তিগত ব্যাটিং পরিসংখ্যানে দুই দলের লড়াইয়ে এগিয়ে আছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। দুই ইনিংসে দুটি সেঞ্চুরির সাহায্যে তাঁর সংগ্রহ ২৭০ রান। বাংলাদেশের আরেক ব্যাটার মুমিনুল হক চার ইনিংসে করেছেন ১৯১ রান।
বোলিংয়ে অবশ্য এগিয়ে আফগানিস্তানের তারকা লেগ স্পিনার রশিদ খান। দুই ইনিংসে ১১ উইকেট নিয়েছেন তিনি এবং এর মধ্যে রয়েছে দুটি পাঁচ উইকেটের ইনিংস। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে তাইজুল ইসলাম চার ইনিংসে আট উইকেট নিয়ে রশিদের পরেই রয়েছেন।
আবুধাবির টেস্ট শেষে আমিরাতেই বাংলাদেশের ব্যস্ত সূচি রয়েছে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের পর আবুধাবি ও শারজায় জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানের সঙ্গে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। ওই সিরিজেও স্বাগতিক হিসেবে থাকছে আফগানিস্তান।