উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে সারাদেশে কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে পরিবেশদূষণ অনেকাংশে কমবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে গাজীপুরের শ্রীপুরে সাফারি পার্ক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় সমস্যা। এ সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করছে। বর্জ্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনার কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে পরিবেশের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
তিনি জানান, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য সাভারের আমিনবাজারে একটি প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হচ্ছে। একই ধরনের ব্যবস্থা পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য এলাকাতেও গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। শিগগিরই এ উদ্যোগের সুফল দৃশ্যমান হবে বলে আশা করছেন তিনি।
সাফারি পার্কের সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ
পরিদর্শনকালে গাজীপুর সাফারি পার্কের বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা দূর করার আশ্বাস দেন পরিবেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, পার্কটি ঘুরে দেখেছেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেছেন। সেখানকার সমস্যা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এ সময় ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ভেতরে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ও যাতায়াতের সমস্যার বিষয়টিও উঠে আসে। মন্ত্রী জানান, বনের ভেতরে অনেকের ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি রয়েছে। কিন্তু সড়কসংক্রান্ত জটিলতার কারণে অনেকে নিজেদের জমিতে যাতায়াত করতে সমস্যায় পড়েন। এ বিষয়ে চলতি মাসেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বনের জমি উদ্ধারে আইনি পদক্ষেপ
বিভিন্ন রিসোর্ট ও শিল্পকারখানার অবৈধ দখলে থাকা বনভূমি উদ্ধারে মামলা করা হয়েছে বলেও জানান আবদুল আউয়াল মিন্টু। বনভূমি রক্ষায় এসব জমি পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এর আগে পরিবেশমন্ত্রী গাজীপুরের ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান পরিদর্শন করেন। এ সময় গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসেন, ঢাকা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বশিরুল আল মামুন, সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক রহমানসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।