উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে বিভিন্ন পরিচয় ব্যবহার করে ছাত্রশিবির দখলদারত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তাঁর দাবি, কখনো সামাজিক সংগঠন, কখনো প্রেসার গ্রুপ, আবার কখনো সাধারণ শিক্ষার্থীর পরিচয়ে ক্যাম্পাসে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে সংগঠনটি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তদন্ত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন রাশেদ খাঁন।
তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর জাতীয় নির্বাচনের আগে একটি পক্ষ ছাত্রদল ও ছাত্রলীগকে একইভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছে। তবে তাঁর মতে, সংগঠন দুটির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও ভূমিকার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।
রাশেদ খাঁনের দাবি, বর্তমানে ছাত্রদল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো হল দখল করেনি এবং গণরুম ও গেস্টরুমের পুরোনো সংস্কৃতিও ফিরিয়ে আনেনি। মেধার বিকাশের মাধ্যমে ছাত্রদল দেশজুড়ে গণতান্ত্রিক রাজনীতি পরিচালনা করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তাঁর অভিযোগ, ছাত্রদলের এই রাজনৈতিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতে ছাত্রশিবির বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য ও বয়ান তৈরি করছে। তবে ছাত্রশিবির প্রকাশ্যে রাজনীতি করলে ছাত্রদলের আপত্তি থাকত না বলেও জানান তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজের অতীত আন্দোলনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রাশেদ খাঁন বলেন, বিভিন্ন সময় আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে তাঁরা ছাত্রলীগের বাধা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়েও একাধিকবার হামলার মুখে পড়তে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে আগে গণরুম ও গেস্টরুমের যে ব্যবস্থা চালু ছিল, বর্তমানে তা আর নেই।
রাশেদ খাঁনের বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রসংগঠনগুলোর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, ক্যাম্পাসে প্রভাব বিস্তার এবং শিক্ষার্থীদের পরিবেশ নিয়ে বিতর্কের বিষয়গুলো উঠে এসেছে। ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে তাঁর করা অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংগঠনের কোনো বক্তব্য এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।