উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বাংলাদেশের জ্বালানি, বিদ্যুৎ, সার ও সামাজিক সুরক্ষা খাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা হলেও এর সুফল বণ্টনে বড় ধরনের বৈষম্য রয়েছে। বিশ্বব্যাংকের চলতি বছরের অক্টোবরে প্রকাশিত ডেভেলপমেন্ট আপডেটের একটি বিশেষ অংশে এই ভর্তুকি ও সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমস্যাটি শুধু ভর্তুকি দেয়া বা না দেয়ার নয় বরং কারা সুবিধা পাচ্ছে এবং সরকারি অর্থের বিনিময়ে দারিদ্র্য কমানোর সুফল কতটা অর্জিত হচ্ছে সেটিই মূল বিবেচ্য।
বিদ্যুৎ খাতে দরিদ্র পরিবারের ওপর চাপ কমাতে বিশ্বব্যাংক লাইফলাইন সীমা ৭৫ ইউনিটে উন্নীত করা এবং ১৫০ ইউনিটের বেশি ব্যবহারে ভর্তুকি বন্ধের প্রস্তাব দিয়েছে। অপরদিকে সার ভর্তুকির ক্ষেত্রে পরিমাণভিত্তিক সর্বজনীন ব্যবস্থার কারণে বড় জমির মালিকরা বেশি সুবিধা পাচ্ছেন। সবচেয়ে বড় ২০ শতাংশ ভূমি মালিক মোট সার ভর্তুকির প্রায় ৫০ শতাংশ পান এবং ক্ষুদ্রতম ৪০ শতাংশ পান মাত্র ১৩ শতাংশ। কৃষিতে গবেষণা ও অবকাঠামোর তুলনায় তাৎক্ষণিক ভর্তুকিতে বেশি অর্থ ব্যয় হচ্ছে।
সামাজিক সুরক্ষা খাতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১.৪৪ লাখ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও সবচেয়ে দরিদ্র পরিবারের প্রায় অর্ধেক এখনো এই সহায়তা থেকে বঞ্চিত। বিপরীতে সবচেয়ে ধনী পঞ্চমাংশের ৩১ শতাংশ কোনো না কোনো সরকারি সহায়তা পায়। ডাইনামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি বা ডিএসআর চালুর মাধ্যমে দরিদ্র পরিবার শনাক্ত করা এবং তথ্যের সমন্বয় নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।