উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
চাকরির প্রত্যাশায় ঢাকায় আসা লাখ লাখ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রার্থীর পরীক্ষা গত ১০ অক্টোবর প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে স্থগিত করা হয়। ২৪২টি পদের বিপরীতে প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার প্রার্থী আবেদন করেছিলেন এবং অনেকে কেন্দ্রে পৌঁছানোর পর ওএমআর শিট পাওয়ার পরও পরীক্ষা বাতিলের খবর পান।
প্রশ্নপত্র কীভাবে বাইরে গেল এবং কার বা কাদের গাফিলতি ছিল, তা খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। মেধা ও পরিশ্রমের ওপর ভরসা করে পরীক্ষা দিতে আসা প্রার্থীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
মাত্র ছয় দিন ব্যবধানে অর্থাৎ ১৬ অক্টোবর স্থগিত হওয়া এই পরীক্ষার নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। দূরদূরান্ত থেকে আসা চাকরিপ্রার্থীদের পক্ষে স্বল্প সময়ে আবার ঢাকায় আসা এবং ধারদেনা করে যাতায়াত ও থাকা-খাওয়ার খরচ জোগাড় করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নিয়োগপ্রক্রিয়া দীর্ঘ না করে দ্রুত পরীক্ষা নেওয়া যৌক্তিক হলেও, শিক্ষার্থীদের এই আর্থিক ক্ষতি ও ভোগান্তির বিষয়টি কর্তৃপক্ষের বিবেচনা করা উচিত। স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়া, নিরাপদ পরীক্ষা এবং ক্ষতিগ্রস্ত প্রার্থীদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল চাকরিপ্রার্থীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।