উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ভবন নির্মাণে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় একসময় নির্বাহী প্রকৌশলী থেকে সহকারী প্রকৌশলী পদে পদাবনতি হয়েছিল আরিফুল ইসলাম জুয়েলের। একই ঘটনায় তাঁর পদোন্নতিও চার বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছিল। তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সেই শাস্তি বাতিল হয়ে পদোন্নতি পান তিনি।
এবার দুই হাজার ৫৯৮ কোটি টাকার পানি সরবরাহ প্রকল্পের পরিচালকের দায়িত্ব পেয়েছেন এই প্রকৌশলী। এর আগে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক প্রভাব খাটিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে খুলনা ওয়াসায় উপব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে যোগ দেন তিনি।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় একাডেমিক ভবন নির্মাণে অনিয়মের ঘটনায় তাঁর শাস্তি হয়েছিল। নকশায় কংক্রিটের পুরুত্ব কম থাকার বিষয়টি তদন্তে ধরা পড়ে এবং তিনি ঠিকাদারকে বিলে সহযোগিতা করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে।
বিভিন্ন অনিয়ম ও তদবিরের অভিযোগে খুলনা মহানগর বিএনপি এবং নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকেও তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে আরিফুল ইসলাম জুয়েল দাবি করেছেন যে তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে প্রতিশোধ নেওয়া হয়েছিল। ভবন নির্মাণে অনিয়ম, হয়েছিল পদাবনতি শাস্তি বাতিল, পদোন্নতি ও প্রেষণ মহানগর বিএনপির চিঠিতেও অভিযোগ কর্মস্থলে অনিয়মের অভিযোগ দুই দফায় বদল, এবার প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব রাজনৈতিক বিবেচনায় দণ্ডিতরা জায়গা পেলে অবস্থা আরও নাজুক হবে একাধিক সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপি ও অ্যাবের প্রভাব কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের বদলি ও পদায়নে হস্তক্ষেপ শুরু করেন জুয়েল। এ নিয়ে নানা অভিযোগে অতিষ্ঠ হয়ে ২০২৫ সালের ২৬ জুন অ্যাবের সভাপতি ও আইইবির চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামকে চিঠি দেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এস এম শফিকুল আলম মনা ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন। চিঠিতে বলা হয়, ‘গত ৭/৮ মাস ধরে একের পর এক অভিযোগ আসছে, দলের পদ ব্যবহার করে আরিফুল ইসলাম জুয়েল কুয়েটসহ বিভিন্ন প্রকৌশল দপ্তরে গিয়ে হুমকি-ধমকি, নিয়োগ-পদোন্নতিতে অযাচিত হস্তক্ষেপ করছেন। বিভিন্ন অফিসে আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে কাজ করে দেবেন বলে তদবির করছেন। এতে দলের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে।’ চিঠিতে তাঁর অ্যাবের সাধারণ সম্পাদক পদ বাতিলেরও সুপারিশ করা হয়।