উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মানবসভ্যতার অনন্য প্রতীক হলো দান ও পরস্পর সহযোগিতা, যা মানুষকে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের গণ্ডি পেরিয়ে মানবতার পাশে দাঁড়াতে শেখায়। ইসলামে দানের নানা প্রকরণ নির্ধারিত রয়েছে এবং মানবজাতিকে মুক্তহস্তে দান করতে বারবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইসলামি শরিয়তে দান মূলত ফরজ এবং নফল—এই দুই ভাগে বিভক্ত।
ফরজ দানের মধ্যে রয়েছে জাকাত ও সদকাতুল ফিতর, আর নফল দানের মধ্যে সাধারণ দান এবং সদকায়ে জারিয়া অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ইসলামে দানকে এত বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কারণ হলো এর সঙ্গে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের অসীম কল্যাণ জড়িয়ে রয়েছে।
বিদায় হজের সময় সাহাবি সা’দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা.) গুরুতর অসুস্থ হয়ে নিজের সম্পদের দুই-তৃতীয়াংশ বা অর্ধেক সদকা করতে চাইলে রাসুল (সা.) নিষেধ করেন। পরবর্তীতে তিনি এক-তৃতীয়াংশ দান করার অনুমতি দিয়ে বলেন, উত্তরাধিকারীদের পরনির্ভরশীল রেখে যাওয়ার চেয়ে সচ্ছল রেখে যাওয়া উত্তম।
হাদিসের ভাষা অনুযায়ী নিজের সম্পূর্ণ সম্পদ দান না করে বরং তার অংশবিশেষ দান করা উচিত, যা সর্বোচ্চ এক-তৃতীয়াংশের বেশি হতে পারবে না। তবে উত্তরাধিকারী না থাকলে এক-তৃতীয়াংশের বেশি ওসিয়ত করা জায়েজ রয়েছে।