উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
রংপুর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে গত ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রংপুর মহানগরী ও জেলা শাখার পৃথক দুটি সদস্য বা রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অর্ধদিবসব্যাপী এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল পরিচালক মাওলানা আবদুল হালিম। সম্মেলনে সংগঠনের রুকনরা ২০২৭-২০২৮ কার্যকালের ইমারত নির্বাচনের জন্য নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আবদুল হালিম জামায়াতে ইসলামীকে একটি নিয়মতান্ত্রিক, গণতান্ত্রিক ও আদর্শিক দল হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি জানান যে নিয়ম অনুযায়ী প্রতি তিন বছর পর কেন্দ্রীয় এবং প্রতি দুই বছর পর জেলা ও মহানগরী নেতৃত্বের আমির নির্বাচন করা হয়। এ সময় তিনি রুকনদের নৈতিকতা, ত্যাগ, আনুগত্য এবং দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মাওলানা আবদুল হালিম অভিযোগ করেন যে ঐতিহাসিক জুলাই জাতীয় সনদের পক্ষে জনগণের স্পষ্ট রায় থাকা সত্ত্বেও সরকার তা বাস্তবায়ন না করে ধোঁকাবাজি করছে। তিনি বলেন যে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ জুলাই সনদের পক্ষে রায় প্রদান করে। তিনি অনতিবিলম্বে কোনো টালবাহানা ছাড়া গণভোটের রায় ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান।
রংপুর মহানগরীর সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রংপুর মহানগর আমির উপাধ্যক্ষ মাওলানা এটিএম আজম খান এবং জেলা সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন রংপুর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক গোলাম রব্বানী এমপি। সম্মেলনে মহানগর ও জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানগুলো সঞ্চালনা করেন মহানগর সেক্রেটারি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম কাজল ও জেলা সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হক।