উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আর্কটিক অঞ্চলে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে নতুন পরিকল্পনা প্রকাশ করতে যাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। অঞ্চলটিতে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে জোটটি এ উদ্যোগ নিচ্ছে। খসড়া কৌশল অনুযায়ী, সেখানে গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল, বরফভাঙা জাহাজ ও সমুদ্রের তলদেশের যোগাযোগ কেবলের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের উপস্থিতি বাড়াতে চায় তারা।
উত্তর মেরু অঞ্চলে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার প্রভাব দক্ষিণের এলাকাগুলোতেও পড়ে। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জোটের সদস্যদেশগুলোর জন্য অভিন্ন নীতিগত অবস্থান ঠিক করতে ইইউ প্রধান উরসুলা ভন ডার লিয়েন নতুন কৌশলটি উপস্থাপন করবেন। এতে কানাডা, যুক্তরাজ্য ও নরওয়ের মতো সমমনা দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং নিয়মিত শীর্ষ সম্মেলনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
ইইউর আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ববিষয়ক প্রধান জোজেফ সিকেলা জানান, নতুন বাস্তবতায় ইউরোপকে আর্কটিকে শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য অংশীদার হতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধির মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইউরোপের করণীয় এতে নির্ধারণ করা হয়েছে। জোটের ২৭ সদস্যের মধ্যে ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড ও সুইডেন আর্কটিক অঞ্চলের দেশ হওয়ায় এখানে ইইউর নিজস্ব স্বার্থ রয়েছে।
২০ পৃষ্ঠার এ নথিতে আগ্রাসী রাশিয়াকে মোকাবিলার বিষয়টিকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এতে ড্রোনের অনুপ্রবেশ ও সমুদ্রের তলদেশের কেবলে নাশকতার আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে তেল পরিবহনকারী মস্কোর ‘ছায়া নৌবহর’ পর্যবেক্ষণে তথ্য বিনিময়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ওয়াশিংটনের ওপর নির্ভরতা কমানোর কয়েকটি পদক্ষেপও নথিতে যুক্ত করা হয়েছে।
খসড়া অনুযায়ী, গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে ইইউ মূল ভূখণ্ডের সংযোগ ঘটাতে সাবমেরিন কেবল বসানোর পরিকল্পনা করছে ব্রাসেলস। এর সঙ্গে কানাডা, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াকেও যুক্ত করা হবে। এছাড়া স্টারলিংকের বিকল্প হিসেবে আর্কটিকে স্যাটেলাইট যোগাযোগ গড়ে তুলতে ‘আইরিস’ নামের একটি প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে ইইউ।