উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধার আলেয়া খানমের মেজ ছেলে শামীম আল মাহাদী বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে ৪৫তম বিসিএসে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ ১১ মাস অপেক্ষার পর ১৪ অক্টোবর প্রকাশিত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপনে সুপারিশপ্রাপ্ত ১ হাজার ৮০৭ জনের মধ্যে ১০৫ জন বাদ পড়েন। কোনো ফৌজদারি অপরাধ না থাকা সত্ত্বেও ছেলের নাম গেজেটে না দেখে অবাক ও ব্যথিত হয়েছেন এই গ্রামীণ নারী। স্বচ্ছ উপায়ে মেধার ভিত্তিতে অর্জিত চাকরি হারিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মুখে রাজপথে নেমেছেন এসব তরুণ এবং শাহবাগে আত্মাহুতির হুমকি দিয়েছেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রেজওয়ানা করিম স্নিগ্ধা বলেন, সেকেলে ব্রিটিশ আমলের ভেরিফিকেশন প্রথা দিয়ে তরুণদের মেধা আটকে রাখা একটি বড় ধরনের পদ্ধতিগত ত্রুটি। সার্বিক বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী জানিয়েছেন, বাদ পড়া প্রার্থীদের অর্ধেকের বেশির কাগজপত্রে ঘাটতি ছিল এবং বাকিদের বিষয়টি নজরে এসেছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বাদ পড়া প্রার্থীদের সব তথ্য পুনর্নিরীক্ষার (রি–ভেরিফিকেশন) উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং যোগ্য প্রার্থীরা প্রত্যেকেই নিয়োগ পাবেন।