উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
হজমের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে কাঁচা কলার কিছু বিশেষ সুবিধা রয়েছে। এতে থাকা রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ বৃহদান্ত্রে গিয়ে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার খাদ্য হিসেবে কাজ করে। পাশাপাশি খাদ্যআঁশ দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সহায়তা করে। অন্যদিকে, পাকা কলা নরম হওয়ায় অনেকের জন্য খুব সহজে খাওয়া ও হজম করা সম্ভব। তবে ব্যক্তিভেদে হজমের সহনশীলতা ভিন্ন হতে পারে বলে সবার জন্য একই কলা বেশি উপকারী নয়।
রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে কাঁচা কলার রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ শর্করাকে তুলনামূলক ধীরে হজম করতে সাহায্য করে। ফলে কিছু ক্ষেত্রে রক্তে শর্করা বৃদ্ধির গতিও ধীর হতে পারে। অন্যদিকে, পাকা কলায় প্রাকৃতিক শর্করার পরিমাণ বেশি থাকায় এটি মিষ্টি স্বাদের হয়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের কলা খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমাণের দিকে খেয়াল রাখা উচিত এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।
কাঁচা কলায় থাকা রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ ও খাদ্যআঁশ দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে শুধু কাঁচা কলা খেলেই ওজন কমবে, এমন ধারণা ঠিক নয়। অন্যদিকে, পাকা কলার প্রাকৃতিক শর্করা শরীরচর্চার আগে বা পরে সহজলভ্য শক্তির উৎস হতে পারে। তবে ওজন বাড়ানো বা কমানোর ক্ষেত্রে শুধু কলার ওপর নির্ভর না করে সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাসের দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন।
কাঁচা কলা সাধারণত তরকারি, ভর্তা ও কাটলেটসহ বিভিন্ন রান্নায় ব্যবহার করা হয় এবং রান্নার পদ্ধতিতে এর পুষ্টিগুণে পরিবর্তন আসে। অন্যদিকে, পাকা কলা সরাসরি খাওয়ার পাশাপাশি স্মুদি, শেক ও মিষ্টি খাবারে ব্যবহার করা হয়। কাঁচা কলায় রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ ও খাদ্যআঁশ বেশি থাকে এবং পাকা কলায় তা প্রাকৃতিক শর্করায় রূপান্তরিত হয়। তাই শারীরিক প্রয়োজন অনুযায়ী দুই ধরনের কলাই পরিমিতভাবে খাওয়া যেতে পারে।