উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মহান আল্লাহ তাঁর সৃষ্টিরহস্য, নেয়ামত ও কুদরতের নিদর্শন বোঝাতে কোরআনে বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান, প্রাণী এবং উদ্ভিদের কথা উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে বিশেষ কয়েকটি ফলের কথা কোরআনে এসেছে, যেগুলো সুস্বাদু ও পুষ্টিকর যেমন; তেমন বরকতময়। বেহেশতের অধিবাসীদেরও এই সকল ফল–ফলাদি পরিবেশন করা হবে বলে কোরআনে বর্ণিত হয়েছে।
কোরআনে সবচেয়ে বেশিবার যে ফলের নাম এসেছে, সেটি হলো খেজুর বা নাখল। মরুভূমির তপ্ত পরিবেশে খেজুর কেবল একটি সুস্বাদু ফলই নয়, বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ আহার। কোরআনের অন্তত ২০টি স্থানে খেজুরের কথা বলা হয়েছে। মরিয়ম (আ.) যখন সন্তান প্রসবের বেদনায় কাতর ছিলেন, তখন আল্লাহ তাঁকে খেজুর খাওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেছিলেন, তুমি তোমার দিকে খেজুরগাছের কাণ্ড ধরে নাড়া দাও, তা থেকে তোমার ওপর সুপক্ব তাজা খেজুর ঝরে পড়বে।
কোরআনে জয়তুনকে একটি বরকতময় গাছ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে এবং ডুমুর ফলের নামে একটি পূর্ণাঙ্গ সুরা রয়েছে। ডুমুর ফলের শপথ করেই আল্লাহ সুরা তিন শুরু করেছেন এবং কসম করে বলেছেন, শপথ ডুমুর ও জয়তুনের। সুমিষ্ট ও দৃষ্টিনন্দন ফল ডালিমকে কোরআনে রুম্মান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং এটি বেহেশতের ফল হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।
কোরআনে আঙুরের কথা প্রায় ১১ বার উল্লেখ করা হয়েছে এবং বেহেশতের প্রশান্তিদায়ক পরিবেশের বর্ণনায় কলার প্রসঙ্গ এসেছে। কোরআনে উল্লেখিত এই ফলগুলো শুধু পরকালের বেহেশতের কল্পিত কোনো বিষয় নয়, বরং দুনিয়ার জীবনেও এগুলো মানুষের সুস্থতা ও রোগ নিরাময়ের জন্য এক বিরাট নেয়ামত। দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় এসব ফলের উপস্থিতি আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখে।