উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও সবুজায়নে সহযোগিতার অংশ হিসেবে মালদ্বীপের ৫ মিলিয়ন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশি বিভিন্ন উদ্ভিদ প্রজাতি। বাংলাদেশ হাইকমিশন ৯ প্রজাতির ২১ হাজার ৩৬০টি বীজ ও চারা উৎপাদন সরঞ্জাম দিয়েছে। গত রোববার মিয়ানজ ইন্টারন্যাশনাল কলেজের স্কুল অব এগ্রিকালচার বিভাগের কাছে এই বীজ ও সরঞ্জাম হস্তান্তর করা হয়।
এ উপলক্ষে বাংলাদেশ হাইকমিশন ও মিয়ানজ কলেজের মধ্যে একটি সমঝোতা সই হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, মালদ্বীপের মাটি ও জলবায়ুতে এসব বীজের অঙ্কুরোদ্গম, বৃদ্ধি ও অভিযোজনক্ষমতা পরীক্ষা করা হবে। সফল প্রজাতিগুলোর চারা উৎপাদন করে দেশটির বিভিন্ন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে ব্যবহার করা হবে।
এই বীজের মধ্যে রয়েছে পেয়ারা, আকাশমণি, কৃষ্ণচূড়া, নিম, গগন শিরীষ, বকুল, ইপিল-ইপিল, অর্জুন ও বহেরা। মিয়ানজ কলেজ এসব বীজের চাষ, পরিচর্যা ও বৃদ্ধির তথ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি গবেষণা পরিচালনা করবে। মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম জানান, এটি পরিবেশ, কৃষি গবেষণা ও জলবায়ু সহনশীলতায় নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করছে।
মিয়ানজ কলেজের চেয়ারম্যান আহমেদ মুত্তাকী বলেন, বাংলাদেশি বীজ মালদ্বীপের মাটিতে সফলভাবে বেড়ে উঠলে তা দুই দেশের বন্ধুত্বের প্রতীক হবে। তিনি বাংলাদেশের বীজ থেকে উৎপাদিত গাছগুলোকে ‘তারেক জিয়া ট্রি’ নামে পরিচিত করার প্রস্তাবও দেন। উল্লেখ্য, সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত মালদ্বীপের এই কর্মসূচিতে ৫.৮ মিলিয়নের বেশি গাছের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে এবং ১.৮ মিলিয়নের বেশি গাছ রোপণ করা হয়েছে।