উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
রাজধানীর যানজট নিয়ন্ত্রণে দুই সিটি করপোরেশনের ২২টি পয়েন্টে ট্রাফিক সিগন্যাল আধুনিকায়নের কাজ শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আরও ৫০টি পয়েন্টে আধুনিক সিগন্যাল ব্যবস্থা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন। তবে বাস্তবায়নের পর্যায়ে এসে দরপত্র প্রক্রিয়া ও শর্ত শিথিলকরণ নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
৩৮টি ট্রাফিক সিগন্যালের মধ্যে ৪২ কোটি টাকা ব্যয়ের ২৮টি পয়েন্টের কাজ গেছে আওয়ামী লীগের তৎকালীন নেতাকর্মীদের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের হাতে। মাইশা কনস্ট্রাকশন, আসিফ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ও এইচ এম হেলাল অ্যান্ড কোংয়ের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এই কাজগুলো পেয়েছে।
ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন অভিযোগ অস্বীকার করে জানান যে দরপত্র ই-জিপি ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। নিয়ম মেনেই কাজ দেওয়া হয়েছে এবং সাব-কনট্রাক্টরদের রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কে তারা অবগত ছিলেন না।
কাগজপত্রে বাকি ১০টি সিগন্যালের কাজ ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস পেলেও নেপথ্যে কাজ করছে বিআইটি টেকনোলজি ও কমব্যাক্ট ড্রিম ইঞ্জিনিয়ারিং। র্যাবের সাবেক অভিযুক্ত কর্মকর্তা কিসমৎ হায়াৎ বর্তমানে এই কমব্যাক্ট ড্রিম ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মালিক।