উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
আগামী নভেম্বরে চীনের শেনজেনে এশিয়া-প্যাসিফিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা এপেক সম্মেলনে বিশ্বনেতাদের সমবেত হওয়ার প্রস্তুতির মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কিম জং উনের সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন বৈঠকের সম্ভাবনা এখনো ক্ষীণ এবং কিম জং উনের জন্য বর্তমান পরিস্থিতি বজায় রাখাই সবচেয়ে ভালো বিকল্প। ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে তিনবার কিমের সঙ্গে বৈঠক করলেও পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে কোনো বাস্তব অগ্রগতি হয়নি।
উত্তর কোরিয়া বারবার স্পষ্ট করেছে যে তারা আর পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত নয় এবং পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে তাদের অবস্থান চূড়ান্ত। এদিকে রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে পিয়ংইয়ংয়ের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতা মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে সম্ভাব্য আলোচনার মাধ্যমে রাজনৈতিক সাফল্য অর্জনে ট্রাম্পের প্রচেষ্টাকে জটিল করে তুলতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার কাছ থেকে তাৎক্ষণিক সুবিধা পাওয়ায় কৌশলগত গতিপ্রবাহ এখন কিমের অনুকূলে রয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জুলাই মাসের হিসাব অনুযায়ী, রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের ফলে ২০২৫ সালে উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতি টানা তৃতীয় বছরের মতো ৩ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করে। পিয়ংইয়ং ও ওয়াশিংটনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা পালনের ওপর চীনের প্রভাবও অনেকাংশে নির্ভরশীল। ঢাকা থেকে বাসস পরিবেশিত ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখের সংবাদে এসব তথ্য জানানো হয়।