উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
רelভ্রমণে কাউন্টার থেকে টিকিট না কেটে কর্মচারীদের টাকা দিয়ে যাতায়াত করা বা নামাজের স্থানে বসে গন্তব্যে পৌঁছানোর প্রবণতা দেখা যায়। যাত্রী ও কর্মচারী সম্মত থাকলেও ইসলামি শরিয়তে এভাবে ভ্রমণ করা বৈধ কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। রেলওয়ে একটি প্রাতিষ্ঠানিক পরিবহনব্যবস্থা এবং নির্ধারিত ভাড়া আদায় করাই এর নিয়ম।
আল্লাহ তাআলা সুরা বাকারাতে বলেছেন, তোমরা পরস্পরের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভক্ষণ কোরো না। রেলওয়ের নির্ধারিত ভাড়া প্রতিষ্ঠানের ন্যায্য প্রাপ্য, যা যাত্রী সেবা নেওয়ার বিনিময়ে বাধ্যতামূলক হয়। কর্মচারী টাকা নিতে সম্মত হলেও ভাড়ার হকদার প্রতিষ্ঠান হওয়ায় অন্যের হক নিয়ে লেনদেনের এখতিয়ার তার নেই।
ফিকহের দৃষ্টিতে প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ও সেবা কর্মচারীর কাছে আমানত এবং তিনি এর রক্ষক মাত্র। কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া অন্যের সম্পদ নিয়ে লেনদেনকে ফকিহগণ ফুজুলি বা অনধিকার হস্তক্ষেপ বলেছেন। রাসুল (সা.) বেতনভুক্ত কর্মচারীর বাড়তি গ্রহণকে গুলুল বা আত্মসাৎ বলেছেন এবং সুরা মায়িদায় চুক্তি পূর্ণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দায়িত্বের অবস্থান ব্যবহার করে বিনা টিকিটে ভ্রমণের সুযোগ দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে টাকা নিলে তাতে ঘুষের উপাদান থাকে। নামাজের স্থান বা জেনারেটর বগিতে বসলেও বিধান বদলায় না, যদি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন না থাকে। বাংলাদেশের রেলওয়ে আইন, ১৮৯০-এর ৬৬, ৬৮, ১১২ ও ১১৩ ধারা অনুযায়ী টিকিট বা পাস ছাড়া ভ্রমণ জরিমানা ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।