উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
চীনের উত্তরাঞ্চলীয় হেবেই প্রদেশের শিওংআন নিউ এরিয়ায় শুক্রবার তিন দিনব্যাপী প্রথম ‘২০২৬ বৈশ্বিক সুশাসন ফোরাম’ শুরু হয়েছে। চাইনিজ পিপলস ইনস্টিটিউট অব ফরেন অ্যাফেয়ার্স আয়োজিত এই ফোরামের মূল প্রতিপাদ্য হলো ‘আস্থা ও সহযোগিতা পুনর্গঠন: পরিবর্তনশীল বিশ্বে বৈশ্বিক সুশাসনের সংস্কার ও উন্নয়ন’।
জাতিসংঘসহ বিশ্বের ৯০টিরও বেশি দেশ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থার প্রায় ৪০০ প্রতিনিধি এই আয়োজনে অংশ নিয়েছেন। ফোরামে পাঠানো এক বার্তায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেন, বিশ্ব বর্তমানে দ্রুত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং শান্তি ও সুশাসনের ঘাটতি মোকাবিলায় একটি ন্যায়সংগত বৈশ্বিক সুশাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।
নেপালের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভান্ডারি বলেন, বর্তমান বিশ্ব দারিদ্র্য, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বড় চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। তিনি মনে করেন, কোনো একক দেশের পক্ষে এসব মোকাবিলা সম্ভব নয় এবং এ জন্য সব দেশের মধ্যে সংলাপ ও যৌথ প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা পরিষদে উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি গভীর সমুদ্র, মহাকাশ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই পরিচালনার জন্য দ্রুত একটি আন্তর্জাতিক কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
জাতিসংঘের উপমহাসচিব গাই রাইডার স্বীকার করেন যে, বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা উন্নয়নশীল দেশগুলোকে যথেষ্ট গুরুত্ব না দিয়েই গড়ে উঠেছে। তাই সুশাসনব্যবস্থার সংস্কার এখন সময়ের দাবি। কিরগিজস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুমার্ট ওতোরবায়েভ জানান, গ্লোবাল সাউথের দেশগুলো চীনের এই উদ্যোগকে সমর্থন করে।
ফোরামের ফাঁকে এআইয়ের যথাযথ উন্নয়ন ও পরিচালনা নিয়ে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেন ওয়াং ই। তিনি বলেন, প্রযুক্তির বিকাশ যেন মানুষের নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং জনগণের কল্যাণে কাজে লাগে, তা নিশ্চিত করতে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রকে যৌথভাবে কাজ করতে হবে।