উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
নরসিংদী ১০০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি পিএসএ অক্সিজেন প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হয়েছে। গ্লোবাল ফান্ডের অর্থায়নে এবং ইউএনওপিএস বাংলাদেশের তত্ত্বাবধানে দেশের ২২ জেলায় ২৯টি প্ল্যান্ট স্থাপনের অংশ হিসেবে এটি তৈরি করা হয়। গত ২৫ আগস্ট প্ল্যান্টটির নির্মাণকাজ শেষ হলেও সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইনের সঙ্গে সংযোগ না থাকায় এটি এখনও চালু করা সম্ভব হয়নি। স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, সেন্ট্রাল লাইনের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা গেলে শুধু নরসিংদী জেলা হাসপাতাল নয়, জেলার অন্যান্য সরকারি হাসপাতালেও অক্সিজেনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্ল্যান্টটির সঙ্গে সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইনের সংযোগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আগামী দুই মাসের মধ্যে সংযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছে। নরসিংদী ১০০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মিজানুর রহমান বাসসকে জানান, তারা অচিরেই সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করছেন এবং সংযোগ স্থাপন করা হলে জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহ করা সম্ভব হবে। প্রকল্প-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পিএসএ প্ল্যান্ট চালু হলে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত অক্সিজেন ব্যবহারের কারণে সরকারের ব্যয় কমবে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা সহজ হবে।
ইউএনওপিএসের সহকারী পরিচালক হাসান আলী বাসসকে বলেন, তারা অক্সিজেন প্ল্যান্টগুলোকে সেন্ট্রাল লাইনের সঙ্গে সংযোগ দেওয়ার চেষ্টা করছেন এবং এ কাজে নিয়োজিত কর্মীদের চাকরির সুরক্ষার বিষয়টিও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নরসিংদীর ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখের এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্ল্যান্টটিতে অক্সিজেন উৎপাদন এবং সিলিন্ডারে ভরার সক্ষমতা রয়েছে। প্ল্যান্টের অপারেটর মো. মুহিবুল্লাহ জানান, সেন্ট্রাল লাইনের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের পর কোনো কারণে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলেও এই প্ল্যান্টের মাধ্যমে ১৫ থেকে ২০ দিনের জন্য ব্যাকআপ রাখা সম্ভব।