উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় নিখোঁজের সাত দিন পর তারেক আহমেদ (২১) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে উপজেলার ফুলবাড়ি গ্রামের একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাল্যবন্ধু সাহেল মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আইফোন নেওয়ার জন্য তারেককে হত্যার কথা সাহেল স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহত তারেক আহমেদ নবীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের চৌশতপুর গ্রামের মহব্বত উল্লার ছেলে। আটক সাহেল মিয়াও একই গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাঁরা দুজন বাল্যবন্ধু ছিলেন। কয়েক দিন আগে তাঁরা কাজের সন্ধানে লাখাই উপজেলার ফুলবাড়ি গ্রামে একটি ভবন নির্মাণের শ্রমিক হিসেবে যোগ দেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় তারেককে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন সাহেল। এরপর তারেকের মরদেহ ফুলবাড়ি গ্রামের একটি ডোবায় লুকিয়ে রেখে তিনি সেখান থেকে চলে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশের কাছে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তারেকের ব্যবহৃত আইফোনটি নিয়ে পরে সেটি বিক্রি করে দেন সাহেল। প্রায় ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ফোনটি ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। ফোনটি নেওয়ার উদ্দেশ্যেই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্যে উঠে এসেছে।
তারেক নিখোঁজ হওয়ার পর ঘটনাটি নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে পুলিশ। পরে সাহেলকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফুলবাড়ি গ্রামের ডোবা থেকে তারেকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনাটি তদন্তের আওতায় নেওয়া হয়েছে।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হোসেন বলেন, সাহেলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লাখাই উপজেলার ফুলবাড়ি এলাকার একটি ডোবা থেকে তারেকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাহেল হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। মামলা দায়েরের পর তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।