উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে ভোট গণনা চলছে এবং এখন পর্যন্ত গণনা করা ভোটে এগিয়ে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি। ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির তথ্য অনুযায়ী, দেশটির পার্লামেন্ট নির্বাচনে এখন পর্যন্ত ৬০ শতাংশ ভোট গণনা সম্পন্ন হয়েছে। সর্বশেষ আনুষ্ঠানিক ফলাফলে দেখা গেছে, নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি ২১ দশমিক ৪ শতাংশ ভোট পেয়ে শীর্ষে রয়েছে।
তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটের ইয়াশার পার্টি ১৬ দশমিক ২ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ইসরায়েলের নির্বাচনী ব্যবস্থা অনুযায়ী, ভোটাররা নির্দিষ্ট কোনো প্রার্থীর পরিবর্তে রাজনৈতিক দলকে ভোট দেন এবং পরে দলগুলো জোট গঠনের মাধ্যমে পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের চেষ্টা করে। দেশটির রাজনৈতিক ইতিহাসে এখন পর্যন্ত কোনো একক দল এককভাবে পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।
এবারের নির্বাচনে ভোটারদের ব্যাপক অংশগ্রহণ দেখা গেছে এবং ইসরায়েলের প্রায় ৮০ শতাংশ নিবন্ধিত ভোটার ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। একইভাবে দেশটির আরব ভোটারদের মধ্যেও প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট দিয়েছেন, যা ২০২২ সালের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। ওই নির্বাচনে আরব দলগুলো সম্মিলিতভাবে মাত্র ১০টি আসন পেয়েছিল।
বুথফেরত জরিপ অনুযায়ী, পরবর্তী নেসেটে বা ইসরায়েলি পার্লামেন্টে আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলো ১৮টি আসন পেতে পারে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে নেতানিয়াহু ও তাঁর বিরোধী পক্ষ—কোনোটিই সরকার গঠনের জন্য আরব দলগুলোর সমর্থন নিতে আগ্রহী নয়।
ভোটের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট সেই নেতাকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেবেন, যাঁর পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। মনোনীত নেতা তখন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিভিন্ন দলের সঙ্গে আলোচনা, আসন সমঝোতা এবং কার্যকর জোট সরকার গঠনের চেষ্টা করবেন।