বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

উদ্যোক্তা

কৃষি উদ্ভাবনে বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায় কানাডা

কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি ও গবেষণার প্রসারের মাধ্যমে বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করতে আগ্রহী কানাডা। এ লক্ষ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং কৃষকদের জন্য কার্যকর প্রযুক্তি সম্প্রসারণের সম্ভাবনা পর্যালোচনা করেছে দেশটির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক ভুট্টা ও গম উন্নয়ন কেন্দ্র (সিআইএমএমওয়াইটি) পরিদর্শন করেন কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী রণদীপ সরাইয়ের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদল। পরিদর্শনে বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এসব উদ্যোগের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়।ঢাকায় অবস্থিত কানাডীয় হাইকমিশন বৃহস্পতিবার তাদের আনুষ্ঠানিক ফেসবুক পেজে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ পরিদর্শনের তথ্য জানায়।পরিদর্শনকালে কানাডার প্রতিনিধিরা মূল্যায়ন করেন, কীভাবে আধুনিক কৃষি গবেষণা ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাংলাদেশের কৃষকদের ফসলের উৎপাদন বাড়াতে এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার প্রভাব মোকাবিলায় সহায়তা করতে পারে। বিশেষ করে স্থানীয় কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী উন্নত প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন ছড়িয়ে দেওয়ার সম্ভাবনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের কৃষি খাতে উদ্ভাবনী প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে কানাডার কৃষি উদ্ভাবন ত্বরান্বিতকারী সংস্থা ‘বায়োএন্টারপ্রাইজ কানাডা’ এবং আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিআইএমএমওয়াইটি একটি বিশেষ অংশীদারত্ব গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে।কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট ঝুঁকি মোকাবিলা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। এ পরিস্থিতিতে উন্নত গবেষণা, কৃষিপ্রযুক্তির সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কৃষকদের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।কানাডার এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের কৃষিতে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার ও গবেষণাভিত্তিক সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে প্রস্তাবিত অংশীদারত্বের আওতায় কী কী প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে, কত অর্থ বিনিয়োগ করা হবে এবং কৃষকেরা কবে থেকে এসব সুবিধা পাবেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

কৃষি উদ্ভাবনে বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায় কানাডা
🔒